স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার জন্য

আক্ষরিক — ভর্তি থেকে রেজাল্ট, পুরো স্কুল এক সফটওয়্যারে

অফিস, শিক্ষক, অভিভাবক আর ওয়েবসাইট — সবাই একই রেকর্ড থেকে শুধু নিজের অংশটুকু দেখে। একবার লিখলেই সবখানে পৌঁছে যায়।

  • ২১টি ফিচার
  • টিচার ও স্টুডেন্ট অ্যাপ
  • SSC/HSC-এর GPA নিয়ম
  • বাংলা স্বাক্ষরলিপি

সমস্যাটা চেনা লাগছে?

ভর্তির খাতা একটা, ফি-র রসিদ বই আরেকটা, হাজিরা খাতা প্রতিটা ক্লাসে আলাদা। পরীক্ষার পর টেবুলেশন শিট বানাতে শিক্ষকদের রাত জাগতে হয়, একটা যোগফল ভুল হলে পুরো শিট আবার। কোন শিক্ষার্থীর কত মাসের ফি বাকি, সেটা খাতা ঘেঁটে বের করতে হয় — আর অভিভাবক ফোন করে জানতে চান রেজাল্ট কবে। এই সব খাতা একটা রেকর্ডে নিয়ে আসে আক্ষরিক।

কে কীভাবে ব্যবহার করে

একটাই রেকর্ড, চারটা দরজা

অফিস, শিক্ষক, শিক্ষার্থী-অভিভাবক আর ওয়েবসাইটের দর্শক — প্রত্যেকে নিজের দরজা দিয়ে ঢোকেন, কম্পিউটারে বা ফোনে, আর শুধু নিজের অংশটুকু দেখেন।

স্কুল অফিস

অ্যাডমিন প্যানেল · কম্পিউটারে

কীভাবে লগইন
স্কুলের ওয়েবসাইটে ইমেইল আর পাসওয়ার্ড দিয়ে। অফিসের প্রত্যেক কর্মীর আলাদা লগইন থাকতে পারে — তাঁর দায়িত্বের মেনুগুলোই শুধু খোলে।
কী দেখতে পান
সবকিছু — সেটআপ, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, পরীক্ষা, ফি, হিসাব, বেতন, SMS, ওয়েবসাইট আর সেটিংস।

সবচেয়ে বেশি যে কাজগুলো করেন

  • শিক্ষার্থী ভর্তি আর আইডি কার্ড প্রিন্ট
  • মাসের ফি-র বিল তৈরি আর টাকা জমা নেওয়া
  • পরীক্ষা নেওয়া আর রেজাল্ট প্রকাশ
  • শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন দেওয়া আর হিসাব রাখা
  • ওয়েবসাইট আপডেট আর SMS পাঠানো
এঁদের ফিচারগুলো দেখুন

শিক্ষক

টিচার পোর্টাল (কম্পিউটারে) · টিচার অ্যাপ (ফোনে)

কীভাবে লগইন
সিস্টেম আইডি আর পাসওয়ার্ড দিয়ে। প্রথম পাসওয়ার্ড সিস্টেম আইডিই। পোর্টাল আর অ্যাপে একই লগইন।
কী দেখতে পান
অফিস যে ক্লাস, শাখা আর বিষয় দিয়েছে — শুধু সেগুলো।

সবচেয়ে বেশি যে কাজগুলো করেন

  • আজকের হাজিরা নেওয়া
  • নিজের বিষয়ের নম্বর তোলা
  • ফাইলসহ হোমওয়ার্ক দেওয়া
  • নোটিশ আর স্টাডি ম্যাটেরিয়াল দেওয়া
  • নিজের পে-স্লিপ দেখা আর সাহায্য চাওয়া
এঁদের ফিচারগুলো দেখুন

শিক্ষার্থী ও অভিভাবক

স্টুডেন্ট পোর্টাল (কম্পিউটারে) · স্টুডেন্ট অ্যাপ (ফোনে)

কীভাবে লগইন
সিস্টেম আইডি আর পাসওয়ার্ড দিয়ে, পোর্টাল আর অ্যাপে একই। অভিভাবক সন্তানের লগইন দিয়েই ঢোকেন।
কী দেখতে পান
শুধু ওই একজন শিক্ষার্থীর তথ্য।

সবচেয়ে বেশি যে কাজগুলো করেন

  • হাজিরা, হোমওয়ার্ক আর নোটিশ দেখা
  • অনলাইনে MCQ পরীক্ষা দেওয়া
  • প্রকাশিত রেজাল্ট আর GPA দেখা
  • বকেয়া ফি দেখা আর রসিদ ডাউনলোড
  • অফিসের কাছে সাহায্য চাওয়া
এঁদের ফিচারগুলো দেখুন

ওয়েবসাইটের দর্শক

স্কুলের ওয়েবসাইট · লগইন লাগে না

কীভাবে লগইন
লগইন লাগে না। যে কেউ স্কুলের ওয়েবসাইট খুলতে পারেন।
কী দেখতে পান
স্কুল যেটুকু প্রকাশ করতে চায়, শুধু সেটুকু।

সবচেয়ে বেশি যে কাজগুলো করেন

  • সবার জন্য দেওয়া নোটিশ পড়া
  • শিক্ষক, স্টাফ, গ্যালারি আর ই-লাইব্রেরি দেখা
  • প্রকাশিত রেজাল্ট খোঁজা (স্কুল চালু রাখলে)
  • মেসেজ বা সাপোর্ট টিকিট পাঠানো আর খোঁজ রাখা
এঁদের ফিচারগুলো দেখুন
সব ফিচার

২১টি ফিচার, সহজ ভাষায়

৫টি সবসময় চালু থাকে, কারণ বাকি সব এগুলোর ওপর দাঁড়িয়ে। বাকি ১৬টি আপনার স্কুলের দরকার না হলে বন্ধ রাখা যায় — বন্ধ করলে সবখানে লুকিয়ে যায়, কিছুই মোছে না।

সবসময় চালু

একাডেমিক সেটআপ

স্কুলের কাঠামো: শিক্ষাবর্ষ, শ্রেণি, শাখা, বিষয় আর ফি-র ধরন।

বিস্তারিত
  • শিক্ষাবর্ষ, যেমন ২০২৬ — একসাথে একটাই চালু থাকে, নতুনটা চালু করলে পুরনোটা বন্ধ হয়।
  • শ্রেণি, শাখা (A, B, C) আর বিভাগ (বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা, মানবিক)।
  • কোডসহ বিষয়, আবশ্যিক না ঐচ্ছিক — আবশ্যিক বিষয় শ্রেণির সবাইকে নিজে থেকেই দেওয়া হয়।
  • প্রতিটা শ্রেণির ফি-র পরিমাণ, শ্রেণিশিক্ষক, বিষয়শিক্ষক আর সাপ্তাহিক ক্লাস রুটিন।
সবসময় চালু

শিক্ষার্থী

প্রত্যেক শিক্ষার্থীর রেকর্ড, লগইন, আইডি কার্ড আর পুরো ইতিহাস।

বিস্তারিত
  • একজন একজন করে ভর্তি, অথবা এক্সেল থেকে একবারে ৫০০ জন — সব সারি ঠিক না হওয়া পর্যন্ত কিছুই সেভ হয় না।
  • প্রত্যেকের সিস্টেম আইডি — এটাই লগইন নাম, এটাই প্রথম পাসওয়ার্ড।
  • ছবি, সিস্টেম আইডি, শ্রেণি আর রোলসহ আইডি কার্ড প্রিন্ট।
  • বছর শেষে প্রমোশন; প্রতিটা বদলের লগ; ভুলে মুছে ফেললে ট্র্যাশ থেকে এক ক্লিকে ফেরত।
সবসময় চালু

শিক্ষক ও কর্মচারী

শিক্ষক-কর্মচারীর তথ্য, লগইন আর বেতনের হিসাব।

বিস্তারিত
  • পদবি, যোগ্যতা, যোগদানের তারিখ, ইনডেক্স নম্বর, বেতন, ছবি আর কাগজপত্র।
  • অফিস, নিরাপত্তা ও সহায়ক কর্মচারীদের তথ্য আর বেতন।
  • অফিস ক্লাস বুঝিয়ে দেওয়ার পরেই শিক্ষক সেই ক্লাস দেখতে পান।
  • ওয়েবসাইটে শিক্ষকদের ক্রম টেনে-ছেড়ে ঠিক করা যায়।
ক্লাসরুম

হাজিরা

দৈনিক হাজিরা — ফোনে বা কম্পিউটারে।

বিস্তারিত
  • উপস্থিত, অনুপস্থিত, দেরি আর ছুটি — মন্তব্যসহ, এক চাপে সবাইকে মার্ক করার বোতাম।
  • শিক্ষকের ড্যাশবোর্ডে আজ কোন শাখার হাজিরা বাকি, দেখা যায়।
  • অফিসের জন্য মাসিক রিপোর্ট — প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মোট হিসাব।
  • অভিভাবক অ্যাপে ক্যালেন্ডার আর মাসের মোট দেখেন।
ক্লাসরুম

হোমওয়ার্ক

শিক্ষক দেন, শিক্ষার্থী ফোনেই দেখে।

বিস্তারিত
  • শিরোনাম, বিবরণ, জমার তারিখ আর ফাইল — PDF, Word, Excel, PowerPoint বা ছবি, 10 MB পর্যন্ত।
  • শুধু ওই শ্রেণি ও শাখার শিক্ষার্থীরাই দেখে, নির্ধারিত দিনের আগে নয়।
  • জমার সময় পেরোলে শিক্ষক আর শিক্ষার্থী দুজনের কাছেই চিহ্নিত হয়।
ক্লাসরুম

প্রশ্ন ব্যাংক

আগের বছরের প্রশ্ন আর নোট, শ্রেণি ও বিষয় ধরে সাজানো।

বিস্তারিত
  • PDF বা Word ফাইল (10 MB পর্যন্ত) আপলোড, অথবা সরাসরি টাইপ।
  • শিক্ষাবর্ষ, শ্রেণি আর বিষয় ধরে সাজানো, তাই ঠিকটা সহজে মেলে।
  • শিক্ষকেরা নিজের ক্লাসের জন্য আপলোড করতে পারেন।
ক্লাসরুম

ই-লাইব্রেরি

যেখানে খুশি পড়ার মতো PDF বই।

বিস্তারিত
  • বিভাগ (যেমন বিজ্ঞান, সাহিত্য) আর লেখক ধরে সাজানো।
  • শিক্ষকেরাও বই যোগ করতে পারেন।
  • এটা পড়া আর ডাউনলোডের জন্য — ছাপা বই ধার দেওয়ার হিসাব রাখে না।
পরীক্ষা

পরীক্ষা ও রেজাল্ট

রুটিন থেকে মার্কশিট — GPA হিসাব সফটওয়্যার নিজেই করে।

বিস্তারিত
  • বিষয়কে ভাগ করা যায় — যেমন লিখিত ৭০ · MCQ ২০ · ব্যবহারিক ১০, প্রতিটার আলাদা পাস নম্বর।
  • SSC/HSC-এর চতুর্থ বিষয়ের নিয়ম ভেতরেই তৈরি; GPA ৫.০০-এর বেশি হয় না।
  • রুটিন, সিট প্ল্যান, প্রবেশপত্র আর বাংলা স্বাক্ষরলিপি ও বিষয়ভিত্তিক নম্বরপত্র প্রিন্ট।
  • পুরো শ্রেণির টেবুলেশন শিট এক্সেলে; প্রকাশের আগে মার্কশিট দেখে নেওয়া যায়।
পরীক্ষা

অনলাইন MCQ পরীক্ষা

সময় ধরে অনলাইন পরীক্ষা, খাতা দেখে সফটওয়্যার নিজেই।

বিস্তারিত
  • এক উত্তর, একাধিক উত্তর আর সত্য/মিথ্যা প্রশ্ন — ব্যাখ্যা আর ছবিসহ।
  • সময়সীমা, নেগেটিভ মার্কিং, কতবার দেওয়া যাবে, প্রশ্ন এলোমেলো করা।
  • সময় শেষ হলে নিজে থেকেই জমা; পরীক্ষার পর্দা ছেড়ে গেলে সেটা গুনে রাখে।
  • র‍্যাংকিং, গড় নম্বর আর কোন প্রশ্ন কঠিন ছিল — এক্সেলে এক্সপোর্ট।
টাকা-পয়সা

ফি আদায়

বিল, আদায় আর রসিদ — কিছুই দুবার লিখতে হয় না।

বিস্তারিত
  • শ্রেণি অনুযায়ী ফি — যেমন অষ্টম শ্রেণির টিউশন ফি মাসে ৳1,200।
  • এক চাপে পুরো শ্রেণির মাসের বিল; প্রত্যেকের ছাড় নিজে থেকেই বাদ যায়, একই বিল দুবার হয় না।
  • পুরো বা আংশিক, এক বা একাধিক মাস একসাথে — প্রতিটা আদায়ের নম্বরসহ রসিদ।
  • কার কত বাকি — বকেয়ার তালিকা এক ক্লিকে।
টাকা-পয়সা

হিসাব

স্কুলের টাকার খাতা, নিজে থেকেই ভরে ওঠে।

বিস্তারিত
  • ফি আদায় আয় হিসেবে আর পরিশোধিত বেতন খরচ হিসেবে নিজে থেকেই ওঠে।
  • অনুদান, ভাড়া, বিদ্যুৎ বিলের মতো অন্য আয়-ব্যয় আলাদা করে লেখা যায়।
  • প্রতিটা ব্যাংক বা ক্যাশ অ্যাকাউন্টের লেজার, প্রতিটা এন্ট্রির পর ব্যালান্সসহ।
টাকা-পয়সা

বেতন-ভাতা

সব শিক্ষক-কর্মচারীর মাসের বেতন আর পে-স্লিপ।

বিস্তারিত
  • প্রোফাইলে রাখা বেতন থেকে এক চাপে পুরো মাসের বেতন তৈরি।
  • বোনাস বা কর্তন যোগ করলে নিট বেতন নিজে হিসাব হয়।
  • পরিশোধ করলে খরচ নিজে থেকেই হিসাবে ওঠে; শিক্ষক অ্যাপে পে-স্লিপ দেখেন।
যোগাযোগ

নোটিশ বোর্ড

নোটিশ শুধু তাদের কাছেই পৌঁছায়, যাদের জন্য লেখা।

বিস্তারিত
  • কার জন্য: সবাই, শুধু শিক্ষার্থী, নাকি শুধু শিক্ষক।
  • "সবাই" দিলে ওয়েবসাইট আর দুটো অ্যাপেই দেখা যায়।
  • প্রকাশ আর মেয়াদ শেষের তারিখ — মেয়াদ পেরোলে নিজে থেকেই সরে যায়।
  • শিক্ষকেরাও নিজের নোটিশ দিতে পারেন।
যোগাযোগ

SMS

একটা নম্বরে, পুরো শ্রেণিতে বা সেভ করা গ্রুপে মেসেজ।

বিস্তারিত
  • শিক্ষার্থী, বাবা না মা — কার নম্বরে যাবে বেছে নিয়ে ঠিক কাদের পাঠাবেন টিক দিন।
  • ভুল নম্বর আলাদা হয়ে যায়, সেখানেই ঠিক করা যায়; একই নম্বরে দুবার যায় না।
  • প্রতিটা মেসেজের লগ, আর SMS ব্যালান্স কত বাকি দেখা যায়।
যোগাযোগ

সাপোর্ট টিকিট

শিক্ষার্থী, শিক্ষক আর দর্শকদের জন্য হেল্প ডেস্ক।

বিস্তারিত
  • বিষয় (একাডেমিক, ফি, আইটি, পরিবহন, হোস্টেল…), গুরুত্ব আর ফাইল।
  • প্রতিটা টিকিটের নিজস্ব নম্বর (TKT-…)।
  • খোলা → কাজ চলছে → সমাধান → বন্ধ — কোথায় আছে সবাই দেখতে পান।
  • দর্শকেরা টিকিট নম্বর দিয়ে ওয়েবসাইটেই খোঁজ নিতে পারেন।
যোগাযোগ

যোগাযোগের মেসেজ

ওয়েবসাইটের যোগাযোগ ফর্মের ইনবক্স।

বিস্তারিত
  • কতগুলো মেসেজ পড়া হয়নি, দেখা যায়।
  • স্প্যাম ঠেকাতে মিনিটে কতগুলো পাঠানো যাবে, তার সীমা আছে।
ওয়েবসাইট

ওয়েবসাইট ম্যানেজমেন্ট

কোড ছাড়াই স্কুলের ওয়েবসাইট আপডেট।

বিস্তারিত
  • তিনটা ডিজাইন — Skylark, Phoenix আর KingFisher।
  • হোমপেজের স্লাইডার, মতামত আর পরিচিতির পাতা (ইতিহাস, লক্ষ্য, সুযোগ-সুবিধা)।
  • নোটিশ, শিক্ষক, গ্যালারি, রেজাল্ট — এসব পাতা নিজে থেকেই ভরে ওঠে।
  • সার্চ ইঞ্জিনের সেটিংস, সাইটম্যাপ আর robots ফাইল।
ওয়েবসাইট

গ্যালারি

স্কুলের অনুষ্ঠানের ছবির অ্যালবাম।

বিস্তারিত
  • অ্যালবাম বানিয়ে ছবি আপলোড, প্রতিটা ছবির ক্যাপশন আর ক্রম।
  • মুছে না ফেলেও অ্যালবাম লুকিয়ে রাখা যায়।
সবসময় চালু

ইউজার কন্ট্রোল

অফিসের প্রত্যেকে শুধু নিজের কাজের মেনু দেখেন।

বিস্তারিত
  • দায়িত্ব (রোল) ধরে মেনু — যেমন হিসাবরক্ষক ফি আর হিসাব দেখেন, পরীক্ষার নম্বর নয়।
  • যে মেনু দেওয়া হয়নি, তা লুকানো আর বন্ধ।
  • মূল অ্যাডমিন অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত; কেউ নিজেকে মুছে ফেলতে পারেন না।
সবসময় চালু

স্কুল সেটিংস ও ব্যাকআপ

স্কুলের পরিচয়, ফিচার সুইচ, থিম আর ব্যাকআপ।

বিস্তারিত
  • বাংলা, ইংরেজি ও আরবিতে স্কুলের নাম, লোগো, EIIN, প্রধান শিক্ষকের নাম ও স্বাক্ষর — আইডি কার্ড, রসিদ, মার্কশিট সবখানে বসে যায়।
  • যে ফিচার লাগবে না, বন্ধ রাখুন — কিছুই মুছে যায় না।
  • এনক্রিপ্টেড ব্যাকআপ — ডাউনলোড বা Google Drive-এ, ফেরত আনতে পাসফ্রেজ লাগে।
  • অ্যাডমিন, শিক্ষক আর শিক্ষার্থী প্যানেলের আলাদা থিম — Classic বা Pencil।
নিয়ন্ত্রণ

মনিটরিং

কে আসছেন, কী ব্যবহার করছেন, কত দ্রুত চলছে।

বিস্তারিত
  • দর্শক ভাগ করে দেখা — সাধারণ, অফিস, শিক্ষক আর শিক্ষার্থী।
  • ব্যবহারকারীদের কাজের লগ, বেশি দেখা পাতা, ডিভাইস আর ব্রাউজার।
  • গতি আর এরর ট্র্যাকিং।
পরীক্ষা ও রেজাল্ট

বাংলাদেশের বোর্ডের নিয়ম মেনেই রেজাল্ট

নম্বর তোলা থেকে মার্কশিট পর্যন্ত যোগ, গ্রেড আর মেধাক্রম সফটওয়্যার নিজেই করে। টেবুলেশনের জন্য আর রাত জাগতে হয় না।

একটা বিষয়, তিন ভাগে

  • লিখিত ৭০
  • MCQ ২০
  • ব্যবহারিক ১০

প্রতিটা ভাগের আলাদা পাস নম্বর — যেকোনো একটায় ফেল করলে বিষয়ে ফেল।

চতুর্থ বিষয়ের নিয়ম

দুর্বল ঐচ্ছিক বিষয়ে কেউ ফেল করে না; শুধু ২.০০-এর ওপরের পয়েন্ট বোনাস হিসেবে যোগ হয়। GPA ৫.০০-এর বেশি হয় না।

বিষয়ের ভাগ

লিখিত, MCQ আর ব্যবহারিক — প্রতিটার আলাদা পূর্ণমান ও পাস নম্বর। নিজের মতো গ্রেডের নিয়মও দেওয়া যায়।

বাংলা স্বাক্ষরলিপি ও নম্বরপত্র

আগে স্বাক্ষরলিপি, তারপর পূর্ণমানসহ বিষয়ভিত্তিক নম্বরপত্র, প্রতি শিটে ১৪ জন। সাথে এক্সেল কপি।

টেবুলেশন শিট নিজে থেকেই

পুরো শ্রেণির মোট নম্বর, গ্রেড, GPA আর পাস/ফেল এক গ্রিডে — সাজানো এক্সেল ফাইলে।

মার্কশিট আর ট্রান্সক্রিপ্ট

প্রতিটা বিষয়ে শ্রেণির সর্বোচ্চ নম্বর আর শিক্ষকের মন্তব্যের জায়গা; বছরের সব পরীক্ষা এক পাতায়, মেধাক্রমসহ।

প্রকাশের আগে দেখে নিন

শিক্ষার্থীরা দেখার আগে অফিস আর বিষয়শিক্ষক প্রতিটা মার্কশিট দেখে নেন। প্রকাশ করলেই নম্বর লক।

ধাপে ধাপে

প্রতিদিনের কাজ কীভাবে চলে

একেকটা কাজ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত — কোন ধাপ কে করেন, আর কোনটা সফটওয়্যার নিজেই করে দেয়।

লিখিত পরীক্ষা নেওয়া

পরীক্ষা তৈরি থেকে অভিভাবকের হাতে মার্কশিট পর্যন্ত — হলের কাগজপত্র প্রিন্টসহ।

  1. অফিস অ্যাডমিন প্যানেল
    পরীক্ষা তৈরি

    নাম দিন, যেমন অর্ধবার্ষিক ২০২৬, আর শ্রেণি ও শিক্ষাবর্ষের সাথে জুড়ে দিন।

  2. অফিস অ্যাডমিন প্যানেল
    বিষয় আর তার ভাগ বাছাই

    বিষয়গুলো টিক দিন, তারপর প্রতিটাকে ভাগ করুন — যেমন লিখিত ৭০ · MCQ ২০ · ব্যবহারিক ১০।

    জেনে রাখুন: প্রতিটা ভাগের আলাদা পূর্ণমান আর পাস নম্বর। যেকোনো একটায় ফেল করলে পুরো বিষয়ে ফেল।

  3. অফিস অ্যাডমিন প্যানেল
    গ্রেডের নিয়ম

    বোর্ডের সাধারণ স্কেল ব্যবহার করুন, অথবা নিজের লেটার গ্রেড, পয়েন্ট আর শতাংশ ঠিক করুন।

    জেনে রাখুন: চতুর্থ বিষয়ের নিয়ম ভেতরেই তৈরি — দুর্বল ঐচ্ছিক বিষয়ে কেউ ফেল করে না, শুধু বোনাস যোগ হতে পারে।

  4. অফিস অ্যাডমিন প্যানেল প্রিন্ট এক্সেল
    হলের কাগজপত্র প্রিন্ট

    রুটিন, সিট প্ল্যান, সিট কার্ড, প্রবেশপত্র আর বাংলা স্বাক্ষরলিপি।

  5. শিক্ষক টিচার পোর্টাল টিচার অ্যাপ
    নম্বর তোলা

    প্রত্যেক শিক্ষক ওয়েবে বা টিচার অ্যাপে নিজের বিষয় ও শাখার নম্বর তোলেন।

    জেনে রাখুন: ওই বিষয়ের শিক্ষার্থীরাই শুধু আসে, রোল নম্বর ধরে সাজানো।

  6. স্বয়ংক্রিয়
    চূড়ান্ত জমায় লক

    অফিস চাইলে শিক্ষক একবার জমা দিলেই নম্বর লক হয়ে যায়।

    জেনে রাখুন: শুধু অফিস লক খুলতে পারে — যেমন রেজাল্ট বের হওয়ার আগে টাইপের ভুল ঠিক করতে।

  7. স্বয়ংক্রিয় এক্সেল
    টেবুলেশন নিজে থেকেই

    পুরো শ্রেণির মোট, গ্রেড, GPA আর পাস/ফেল — এক্সেলে ডাউনলোডের জন্য তৈরি।

  8. অফিস অ্যাডমিন প্যানেল টিচার পোর্টাল টিচার অ্যাপ
    আগে মার্কশিট দেখে নেওয়া

    শিক্ষার্থীরা দেখার আগেই অফিস আর বিষয়শিক্ষকেরা প্রতিটা মার্কশিট দেখে নেন।

  9. অফিস অ্যাডমিন প্যানেল
    প্রকাশ

    এক সুইচে রেজাল্ট প্রকাশ। এরপর আর নম্বর বদলানো যায় না।

  10. শিক্ষার্থী ও অভিভাবক স্টুডেন্ট অ্যাপ স্টুডেন্ট পোর্টাল
    অভিভাবক রেজাল্ট দেখেন

    মার্কশিট, GPA আর অগ্রগতি স্টুডেন্ট অ্যাপ ও পোর্টালে চলে আসে।

  11. দর্শক ওয়েবসাইট
    ওয়েবসাইটে রেজাল্ট

    স্কুল চালু রাখলে যে কেউ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত রেজাল্ট খুঁজে দেখতে পারেন।

  12. অফিস অ্যাডমিন প্যানেল প্রিন্ট
    বছর শেষের ট্রান্সক্রিপ্ট

    বছরের সব পরীক্ষা এক পাতায়, শ্রেণি ও শাখায় মেধাক্রমসহ।

ফি-র বিল আর আদায়

এক চাপে পুরো শ্রেণির মাসের বিল; প্রতিটা আদায়ে একসাথে তিনটা হিসাব মেলে।

  1. অফিস অ্যাডমিন প্যানেল
    ফি-র ধরন তৈরি

    টিউশন (মাসিক), ভর্তি (এককালীন), পরীক্ষা ফি, পরিবহন ইত্যাদি।

  2. অফিস অ্যাডমিন প্যানেল
    প্রতিটা শ্রেণির পরিমাণ

    যেমন অষ্টম শ্রেণির টিউশন ফি মাসে ৳1,200।

  3. অফিস অ্যাডমিন প্যানেল
    মাসের বিল তৈরি

    শ্রেণি, মাস আর ফি-র ধরন বাছুন — প্রত্যেক সক্রিয় শিক্ষার্থীর জন্য একটা করে বিল।

  4. স্বয়ংক্রিয়
    ছাড় বাদ, দুবার বিল নয়

    প্রত্যেকের ছাড় নিজে থেকেই বাদ যায়। দুবার চালালেও কারও বিল দুবার হয় না।

  5. শিক্ষার্থী ও অভিভাবক স্টুডেন্ট অ্যাপ স্টুডেন্ট পোর্টাল
    অভিভাবক দেখেন কত বাকি

    প্রতি মাসের পরিমাণ, ছাড়, জমা আর বাকি — স্টুডেন্ট অ্যাপ ও পোর্টালে।

  6. অফিস অ্যাডমিন প্যানেল
    টাকা জমা নেওয়া

    পুরো বা আংশিক, এক বা একাধিক মাস একসাথে — ব্যাংক বা ক্যাশ অ্যাকাউন্টে।

  7. স্বয়ংক্রিয়
    একসাথে তিনটা হিসাব

    নম্বরসহ রসিদ তৈরি হয়, বিলটা "পরিশোধিত" বা "আংশিক" হয়, আর আয়টা হিসাবে ওঠে।

    জেনে রাখুন: এজন্যই হিসাবের ব্যাংক ব্যালান্স সবসময় আদায় হওয়া ফি-র সাথে মেলে।

  8. শিক্ষার্থী ও অভিভাবক স্টুডেন্ট অ্যাপ স্টুডেন্ট পোর্টাল
    অ্যাপে রসিদ

    রসিদ সাথে সাথে চলে আসে আর বকেয়া কমে যায়।

  9. অফিস অ্যাডমিন প্যানেল
    বকেয়াদারদের খোঁজ

    কার কত বাকি, তালিকায় দেখা যায় — অভিভাবকদের SMS-এ মনে করিয়ে দিন।

দৈনিক হাজিরা

শিক্ষক ফোনে হাজিরা নেন; অভিভাবক নিজের অ্যাপে দিনটা দেখেন।

  1. অফিস অ্যাডমিন প্যানেল
    শিক্ষককে ক্লাস বুঝিয়ে দেওয়া

    শ্রেণির শিক্ষক সেটআপে অফিস শিক্ষককে শ্রেণি ও শাখার সাথে জুড়ে দেয়।

  2. শিক্ষক টিচার অ্যাপ টিচার পোর্টাল
    আজকের ক্লাস

    টিচার অ্যাপের ড্যাশবোর্ডে আজকের শাখাগুলো আর কোনগুলোর হাজিরা বাকি।

  3. শিক্ষক টিচার অ্যাপ টিচার পোর্টাল
    হাজিরা নেওয়া

    রোল ধরে প্রত্যেকের উপস্থিত, অনুপস্থিত, দেরি বা ছুটি — দরকারে মন্তব্যসহ।

  4. স্বয়ংক্রিয়
    একটাই খাতায় জমা

    অফিস যে খাতা দেখে, সেটাতেই। একই দিনে আবার নিলে শুধু আপডেট হয়।

  5. শিক্ষার্থী ও অভিভাবক স্টুডেন্ট অ্যাপ স্টুডেন্ট পোর্টাল
    অভিভাবক দিনটা দেখেন

    স্টুডেন্ট অ্যাপে ক্যালেন্ডার আর মাসের মোট হিসাব।

  6. অফিস অ্যাডমিন প্যানেল
    মাসিক রিপোর্ট

    অফিস দেখে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর উপস্থিত, অনুপস্থিত, দেরি আর ছুটির মোট।

হোমওয়ার্ক দেওয়া

শিক্ষকের ফোন থেকে দেওয়া, শুধু ঠিক শাখার কাছে, ফাইলসহ।

  1. শিক্ষক টিচার অ্যাপ টিচার পোর্টাল
    হোমওয়ার্ক লেখা

    শ্রেণি, শাখা আর বিষয় বাছুন; শিরোনাম, বিবরণ, দেওয়ার আর জমার তারিখ দিন।

  2. শিক্ষক টিচার অ্যাপ টিচার পোর্টাল
    ফাইল যোগ

    PDF, Word, Excel, PowerPoint, টেক্সট বা ছবি — 10 MB পর্যন্ত।

  3. শিক্ষক টিচার অ্যাপ টিচার পোর্টাল
    চালু করা

    চালু থাকলে শিক্ষার্থীরা দেখে; বন্ধ রাখলে খসড়া হিসেবে থাকে।

  4. স্বয়ংক্রিয়
    ঠিক শিক্ষার্থীর কাছে

    শুধু ওই শ্রেণি ও শাখার শিক্ষার্থীরা দেখে, আর দেওয়ার তারিখের আগে নয়।

  5. শিক্ষার্থী ও অভিভাবক স্টুডেন্ট অ্যাপ স্টুডেন্ট পোর্টাল
    শিক্ষার্থী খুলে দেখে

    বিষয়, বাকি বা সময় পেরোনো ধরে বাছাই করে ফাইল ডাউনলোড।

  6. শিক্ষক টিচার অ্যাপ টিচার পোর্টাল
    খোঁজ রাখা

    যেকোনো সময় বদলানো বা মোছা যায়। সময় পেরোনো হোমওয়ার্ক চিহ্নিত থাকে।

নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি

ভর্তি ফর্ম থেকে অভিভাবকের স্টুডেন্ট অ্যাপে প্রথম লগইন পর্যন্ত।

  1. অফিস অ্যাডমিন প্যানেল
    শিক্ষার্থী ভর্তি

    পরিচয়, বাবা-মা, যোগাযোগ, শ্রেণি, শাখা, বিষয়, ছাড়, ছবি আর কাগজপত্র।

  2. অফিস অ্যাডমিন প্যানেল এক্সেল
    অথবা একবারে অনেকজন

    এক্সেল টেমপ্লেট (৫০০ জন পর্যন্ত) ভরে আপলোড করুন, চিহ্নিত সারি পর্দায় ঠিক করে নিশ্চিত করুন।

    জেনে রাখুন: সব সারি ঠিক না হওয়া পর্যন্ত কিছুই সেভ হয় না, তাই অর্ধেক ইমপোর্ট হয়ে থাকার ভয় নেই।

  3. স্বয়ংক্রিয়
    লগইন তৈরি

    লগইন নাম আর প্রথম পাসওয়ার্ড হিসেবে সিস্টেম আইডি তৈরি হয়; আবশ্যিক বিষয় যোগ হয়ে যায়।

  4. অফিস অ্যাডমিন প্যানেল
    লগইন বুঝিয়ে দেওয়া

    সফল হওয়ার পর্দায় সিস্টেম আইডি আর পাসওয়ার্ড — প্রিন্ট করে বা পাঠিয়ে দিন।

  5. শিক্ষার্থী ও অভিভাবক স্টুডেন্ট অ্যাপ স্টুডেন্ট পোর্টাল
    প্রথম লগইন

    অভিভাবক অ্যাপ বা পোর্টালে ঢুকে নতুন পাসওয়ার্ড দেন।

    জেনে রাখুন: নতুন পাসওয়ার্ডে অন্তত ৮টি অক্ষর লাগে, তার মধ্যে ২টি বিশেষ চিহ্ন, যেমন @ বা #।

  6. স্বয়ংক্রিয়
    সব চলতে শুরু করে

    ফি, হাজিরা, হোমওয়ার্ক, নোটিশ আর রেজাল্ট এখন এই শিক্ষার্থীর জন্য আসতে থাকে।

নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু

গত বছর বন্ধ, সবাইকে ওপরের শ্রেণিতে, প্রথম বিল — আর প্রত্যেকের ইতিহাস অটুট।

  1. অফিস অ্যাডমিন প্যানেল
    নতুন শিক্ষাবর্ষ

    নতুন বছর যোগ করে চালু করুন; পুরনোটা নিজে থেকেই বন্ধ হয়।

  2. অফিস অ্যাডমিন প্যানেল
    প্রমোশন

    গত বছরের শ্রেণি বাছুন আর প্রত্যেকের ফল দিন: উত্তীর্ণ, অনুত্তীর্ণ, নাকি চলে গেছে।

  3. স্বয়ংক্রিয়
    রেকর্ড এগিয়ে যায়

    উত্তীর্ণরা নতুন শ্রেণিতে যায়, মিলে যাওয়া বিষয় থেকে যায়; চলে যাওয়ারা নিষ্ক্রিয় হয়। প্রতিটা বদল রাখা থাকে।

  4. অফিস অ্যাডমিন প্যানেল
    শ্রেণির সেটআপ মিলিয়ে নেওয়া

    প্রতিটা শ্রেণির বিষয়, ফি-র পরিমাণ, শিক্ষক আর রুটিন দেখে নিন।

  5. অফিস অ্যাডমিন প্যানেল
    নতুন পাসওয়ার্ড আর প্রথম বিল

    চাইলে সব শিক্ষার্থীর পাসওয়ার্ড রিসেট, তারপর প্রথম মাসের বিল তৈরি।

  6. শিক্ষার্থী ও অভিভাবক স্টুডেন্ট অ্যাপ স্টুডেন্ট পোর্টাল
    অ্যাপে পুরো ইতিহাস

    শিক্ষার্থীরা একাডেমিক ইতিহাসে দেখে — কবে কোন শ্রেণিতে ছিল।

মোবাইল অ্যাপ

দুটো মোবাইল অ্যাপ, একটাই রেকর্ড

টিচার অ্যাপ আর স্টুডেন্ট অ্যাপ আলাদা করে কিছু জমিয়ে রাখে না। শিক্ষক ফোনে কিছু সেভ করলে তা সরাসরি স্কুলের রেকর্ডে যায়, আর শিক্ষার্থীর অ্যাপ পরের বার খুললেই সেটা দেখায়।

টিচার অ্যাপ

অ্যান্ড্রয়েড

টিচার পোর্টালের সব কাজ, ফোনের জন্য সাজানো। শুধু নিজের ক্লাসগুলো দেখায়।

  • হাজিরা
  • নম্বর তোলা
  • হোমওয়ার্ক
  • নোটিশ
  • স্টাডি ম্যাটেরিয়াল
  • লাইব্রেরি
  • পে-স্লিপ
  • সাপোর্ট টিকিট

স্টুডেন্ট অ্যাপ

অ্যান্ড্রয়েড

পুরো স্টুডেন্ট পোর্টাল অভিভাবকের পকেটে। শুধু ওই শিক্ষার্থীর তথ্য দেখায়।

  • হাজিরা
  • হোমওয়ার্ক
  • অনলাইন MCQ
  • রেজাল্ট
  • সিট প্ল্যান
  • ফি ও রসিদ
  • নোটিশ
  • লাইব্রেরি
  • সাপোর্ট টিকিট

সাধারণ একটা স্কুলের দিন

একজন কাজটা করেন — স্কুলের রেকর্ডে জমা হয় — অভিভাবক নিজের ফোনে দেখেন।

শিক্ষক সকালের ক্লাসে টিচার অ্যাপে হাজিরা নিলেন
শিক্ষার্থী ও অভিভাবক ক্যালেন্ডারে আজকের দিন — উপস্থিত না অনুপস্থিত
শিক্ষক PDF-সহ গণিতের হোমওয়ার্ক দিলেন
শিক্ষার্থী ও অভিভাবক হোমওয়ার্ক, জমার তারিখ আর ফাইল ডাউনলোড
অফিস শিক্ষকেরা নম্বর তোলার পর অফিস রেজাল্ট প্রকাশ করল
শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মার্কশিট আর GPA
অফিস অফিসে মাসের ফি জমা নেওয়া হলো
শিক্ষার্থী ও অভিভাবক নম্বরসহ রসিদ আর কমে যাওয়া বকেয়া

উদাহরণের কাজগুলো বোঝানোর জন্য।

অ্যাপ কীভাবে লগইন করে আর নিরাপদ থাকে

ফোনে স্কুলের কোনো রেকর্ড জমা থাকে না। অ্যাপ শুধু একটা নিরাপদ চাবি রাখে, আর প্রতিটা পর্দায় স্কুলের কাছে নতুন তথ্য চায়।

শুরু করা

৯টি ধাপ — একবারই, এই ক্রমে

প্রতিটা ধাপ আগেরটার ওপর দাঁড়িয়ে। যে শ্রেণি নেই তাতে শিক্ষার্থী ভর্তি হয় না, ফি-র পরিমাণ না থাকলে বিল হয় না। এই ক্রমে একবার সাজালে পরের সব কাজ নিজে থেকেই চলে।

  1. শিক্ষাবর্ষ

    যেমন ২০২৬। চালু করে দিন; পরে নতুনটা চালু করলে পুরনোটা বন্ধ হয়।

    কেন: প্রতিটা শিক্ষার্থী, পরীক্ষা, বিল আর রেজাল্টে শিক্ষাবর্ষের ছাপ থাকে।

  2. শাখা

    শ্রেণির ভেতরের ভাগ: A, B, C।

    কেন: হাজিরা, নম্বর আর SMS শাখা ধরে বাছাই করা যায়।

  3. বিভাগঐচ্ছিক

    বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা আর মানবিক।

    কেন: শুধু যেখানে ওপরের শ্রেণি বিভাগে ভাগ হয়।

  4. বিষয়

    বাংলা, ইংরেজি, গণিত আর বাকিগুলো — কোডসহ, আবশ্যিক বা ঐচ্ছিক।

    কেন: পরীক্ষা, হোমওয়ার্ক, প্রশ্ন ব্যাংক আর রুটিন — সব বিষয় থেকেই তৈরি।

  5. ফি-র ধরন

    টিউশন, ভর্তি, পরীক্ষা, পরিবহন — মাসিক বা এককালীন।

    কেন: যে ফি-র ধরন নেই, তার বিল হয় না।

  6. পেমেন্ট অ্যাকাউন্ট

    মূল ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ক্যাশ আর যেখানে যেখানে টাকা থাকে।

    কেন: প্রতিটা আদায় আর বেতন একটা অ্যাকাউন্টে ওঠে, তাই ব্যালান্স মেলে।

  7. শিক্ষক ও কর্মচারী

    বেতনসহ নিবন্ধন। শিক্ষকেরা পোর্টাল ও অ্যাপের জন্য সিস্টেম আইডি পান।

    কেন: ক্লাস বুঝিয়ে দেওয়ার আগে শিক্ষককে থাকতে হবে, আর বেতন থেকেই বেতন-ভাতা তৈরি হয়।

  8. শ্রেণি আর তার চারটা সেটআপ

    শ্রেণিগুলো তৈরি করে প্রতিটার জন্য:

    ক্লাস সেটআপশাখা, বিভাগ আর বিষয়
    ফি সেটআপপ্রতিটা ফি-র পরিমাণ
    শিক্ষক সেটআপশ্রেণিশিক্ষক ও বিষয়শিক্ষক
    ক্লাস রুটিনসাপ্তাহিক রুটিন

    কেন: এতেই শিক্ষকের অ্যাপে ক্লাস খোলে আর বিল তৈরি সম্ভব হয়।

  9. শিক্ষার্থী

    একজন একজন করে, অথবা এক্সেল থেকে একবারে ৫০০ জন।

    কেন: এখন হাজিরা, হোমওয়ার্ক, পরীক্ষা, ফি আর স্টুডেন্ট অ্যাপ — সবকিছুর কাজ শুরু।

নিরাপত্তা ও ভরসা

ভুল করা কঠিন, শুধরানো সহজ

স্কুল রাখে শিশুদের তথ্য আর আসল টাকার হিসাব। সেজন্য এই সুরক্ষাগুলো ভেতরেই তৈরি।

যার যেটুকু, তিনি শুধু সেটুকু দেখেন

শিক্ষক শুধু নিজের ক্লাস, শিক্ষার্থী শুধু নিজের তথ্য, অফিসের কর্মী শুধু নিজের দায়িত্বের মেনু।

সাবধানী লগইন

প্রত্যেকের নিজস্ব সিস্টেম আইডি; এক মিনিটে ছয়বার ভুল পাসওয়ার্ড দিলে কিছুক্ষণ থামে; নতুন পাসওয়ার্ডে অন্তত ৮টি অক্ষর আর ২টি বিশেষ চিহ্ন।

প্রকাশের পর রেজাল্ট বদলায় না

প্রকাশ করলেই নম্বর চিরতরে লক। শিক্ষক চূড়ান্ত নম্বর জমা দিলে অফিস চাইলে বিষয় ধরে লকও করতে পারে।

প্রতিটা বদল লেখা থাকে

শিক্ষার্থীর তথ্য কে, কখন, কোন ডিভাইস থেকে বদলেছেন — আগের আর নতুন মানসহ। টিচার অ্যাপ থেকে করা বদলও।

ভুলে মুছে ফেলেছেন? ফেরত আনুন

মুছে ফেলা শিক্ষার্থী ট্র্যাশে থাকে, এক ক্লিকে ফেরত আনা যায় — অথবা ইচ্ছা করে চিরতরে মোছা যায়।

টাকার হিসাব সবসময় মেলে

ফি আর বেতন নিজে থেকে হিসাবে ওঠে। কোনো আদায় মুছলে বিলটা আবার বাকি হয়, আর আদায় হওয়া বিল মোছা যায় না।

এনক্রিপ্টেড ব্যাকআপ

ব্যাকআপ ডাউনলোড বা Google Drive-এ কপি। ফেরত আনতে স্কুলের পাসফ্রেজ লাগে, তাই ফাইল হারালেও অন্য কেউ খুলতে পারে না।

বন্ধ করুন, হারাবেন না

কোনো ফিচার বন্ধ করলে সবখানে লুকিয়ে যায়; আবার চালু করলে সব তথ্য আগের মতো ফিরে আসে।

কাদের জন্য

যেখানে ভর্তি, ফি, পরীক্ষা আর শিক্ষকদের বেতনের হিসাব এখনো খাতায় বা আলাদা আলাদা এক্সেল ফাইলে চলে।

প্রাথমিক বিদ্যালয় মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাদ্রাসা

দাম

একটামাত্র সেটআপ ফি + বাৎসরিক সাপোর্ট ও আপডেট

শুরুতে একবার সেটআপ ফি — সফটওয়্যার সাজানো, পুরনো তথ্য তোলা আর অফিস স্টাফ ও শিক্ষকদের ট্রেনিং সব এর ভেতরে।
তারপর বছরে একবার সাপোর্ট ও আপডেট ফি — সারা বছর সাপোর্ট আর নতুন সব সুবিধা এর ভেতরে।
মাসে মাসে বিল নেই। বছরে একবার হিসাব মেলালেই হলো।

আপনার প্রতিষ্ঠানের আকার অনুযায়ী দাম — ফ্রি কনসালটেশনে জেনে নিন।

ফ্রি কনসালটেশন নিন

সাধারণ প্রশ্ন

হ্যাঁ। অভিভাবক সন্তানের সিস্টেম আইডি আর পাসওয়ার্ড দিয়েই স্টুডেন্ট অ্যাপে ঢোকেন — হাজিরা, হোমওয়ার্ক, রেজাল্ট, বকেয়া ফি আর রসিদ সব সেখানে দেখা যায়।

না। একই কাজ, একই লগইন — শুধু ফোনের জন্য সাজানো। স্টুডেন্ট অ্যাপ আর স্টুডেন্ট পোর্টালের বেলাতেও তাই।

টিচার অ্যাপ আর স্টুডেন্ট অ্যাপ দুটোই অ্যান্ড্রয়েডে চলে। অন্য যেকোনো ফোন বা কম্পিউটার থেকে ব্রাউজারে ওয়েব পোর্টাল খুলে একই কাজ করা যায়।

না। অ্যাপ প্রতিবার সরাসরি স্কুলের রেকর্ড থেকে তথ্য আনে — সেজন্যই সবসময় সর্বশেষ তথ্য দেখায়, আর ফোনে স্কুলের কোনো রেকর্ড জমা থাকে না।

যাবে। এক্সেল টেমপ্লেট দিয়ে একবারে ৫০০ জন পর্যন্ত তোলা যায়। প্রতিটা সারি যাচাই হয়, ভুল থাকলে পর্দাতেই ঠিক করা যায়, আর সব সারি ঠিক না হওয়া পর্যন্ত কিছুই সেভ হয় না।

হ্যাঁ, নিয়মটা ভেতরেই তৈরি। দুর্বল চতুর্থ বিষয়ে কেউ ফেল করে না, শুধু ২.০০-এর ওপরের পয়েন্ট বোনাস হিসেবে যোগ হয়। GPA ৫.০০-এর বেশি হয় না, আর চতুর্থ বিষয় ছাড়া GPA-ও আলাদা দেখানো হয়।

যায়। ২১টি ফিচারের ১৬টি দরকার না হলে বন্ধ রাখা যায়। বন্ধ করলে সবখানে লুকিয়ে যায় কিন্তু কিছুই মোছে না — আবার চালু করলে সব তথ্য আগের মতো ফিরে আসে।

হ্যাঁ। রংপুর ও ঢাকায় আমাদের অফিস আছে। আমাদের টিম স্কুলে গিয়ে সফটওয়্যার সাজিয়ে দেয়, আর অফিস স্টাফ ও শিক্ষকদের শিখিয়ে আসে।

একটামাত্র সেটআপ ফি, তারপর বাৎসরিক সাপোর্ট ও আপডেট ফি। আপনার প্রতিষ্ঠানের আকার অনুযায়ী দাম ঠিক হয় — ফ্রি কনসালটেশনে পুরোটা জেনে নিন।

প্রত্যেকে শুধু নিজের অংশটুকু দেখেন — শিক্ষক নিজের ক্লাস, শিক্ষার্থী নিজের তথ্য। ব্যাকআপ এনক্রিপ্ট করা থাকে, ফেরত আনতে স্কুলের পাসফ্রেজ লাগে, আর শিক্ষার্থীর তথ্যের প্রতিটা বদল কে করেছেন তা লেখা থাকে।

হোয়াটসঅ্যাপে বা ফোনে। অফিস সময়ে সমস্যা জানালে আমরা একই দিনে দেখি, আর দরকার হলে সরাসরি চলে আসি।

রংপুর ও ঢাকা থেকে সরাসরি সেটআপ ও ট্রেনিং

আমাদের টিম আপনার স্কুলে এসে সফটওয়্যার সাজিয়ে দেয়, অফিস স্টাফ আর শিক্ষকদের হাতে-কলমে শিখিয়ে যায়। পরে কিছু আটকালে হোয়াটসঅ্যাপে জানালেই অফিস সময়ে একই দিনে দেখি।

রংপুর অফিস

ফ্রি ডেমো নিন

আপনার ব্যবসার ধরন জানালে আমরা ঠিক যেটা দরকার সেটাই দেখাব।

আপনার তথ্য গোপন থাকবে — আমরা কারও সাথে শেয়ার করি না।

মেসেজটি পাঠানো যায়নি। সরাসরি কল করুন বা হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দিন — আমরা আছি।

+880 1745-032539 হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলুন
হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দিন
স্ক্রল